1. liton@somoyerbarta24.net : জাগরন বার্তা২৪ ডটকম ডেস্কঃ : জাগরন বার্তা২৪ ডটকম ডেস্কঃ
  2. admin@codeforhost.com : News Desk :
আমলকির দাম বেড়ে কেজি ১০০০ টাকা | জাগরন বার্তা
শনিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২১, ১২:২৬ অপরাহ্ন
২রা মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মানিকগঞ্জে ৫৩ জন বয়স্ক শিক্ষার্থীদের মাঝে কোরআন শরিফ বিতরন বর্তমান সরকার গঠনের ২য় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে নাগরপুরে এমপি টিটুর মতবিনিময় ডিএসইসি’র সহ-সভাপতি নির্বাচিত আনজুমান আরা শিল্পী প্রধান মন্ত্রীর অঙ্গীকার গৃহহীন থাকবে না কোন পরিবার জেলা প্রশাসক ডা. আতাউল গনি “জাককানইবি’তে ৫০ জন নারী শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ প্রদান করবে ‘উইমেন লিডার্স’ চালকসহ একই পরিবারের ৬ জন নিহত রাণীনগরে ২১ মাস ধরে অবরুদ্ধ এক পরিবার সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষক ফরহাদ আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করতে একটি মহল ষড়যন্ত্র করছে নাগরপুরে অবৈধ দখল উচ্ছেদ যৌন হয়রানি সেই শিক্ষক নেতার অপসারন ও শাস্তির দাবিতে নাগরপুরে মানববন্ধন

আমলকির দাম বেড়ে কেজি ১০০০ টাকা

রিপোর্টার: জাগরন বার্তা২৪ ডটকম ডেস্কঃ
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২৯ জুন, ২০২০
  • ১৫৩ বার পাঠিত
20200628 144424

মুখের রুচি বাড়াতে ভিটামিন ‘সি’-তে ভরপুর আমলকির জুড়ি নেই। লিভার, জন্ডিস, পেটের পীড়া, সর্দি, কাশি ও রক্তশূন্যতায় এ ফল বেশ উপকারী। এছাড়া চুলের গোড়া শক্ত হওয়া, চুল পড়া এবং অল্প বয়সে চুল পাকা বন্ধ করতেও আমলকি ব্যবহার হয়।

নানা গুণে ভরপুর হওয়ায় আমলকির কদর সব শ্রেণি পেশার মানুষের কাছে রয়েছে। ফলে এর প্রতি এক ধরনের বাড়তি চাহিদা রয়েছে নারী-পুরুষ সবার মধ্যেই। আর মহামারি করোনাভাইরাসের প্রকোপে সেই চাহিদা যেন বেড়ে গেছে কয়েকগুণ। ফলে কোথাও কোথাও আমলকির কেজি ১০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

পুষ্টি বিজ্ঞানীদের মতে, আমলকিতে পেয়ারার চেয়ে ১০ গুণ ও কাগজি লেবুর চেয়ে ৩ গুণ বেশি ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে। এছাড়া আমলকিতে কমলার চেয়ে ১৫-২০ গুণ, আপেলের চেয়ে ১২০ গুণ, আমের চেয়ে ২৪ গুণ এবং কলার চেয়ে ৬০ গুণ বেশি ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে। একজন বয়স্ক লোকের প্রতিদিন ৩০ মিলিগ্রাম ভিটামিন ‘সি’ দরকার। এ পরিমাণ ভিটামিন ‘সি’ দিনে দুটি আমলকি খেলেই এসে যায়।

এদিকে মহামারি করোনার প্রেক্ষিতে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। ভিটামিন সি ক্ষতিকর জীবাণুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে দৃঢ় করে। এছাড়া ত্বকে যে অক্সিড্যান্ট স্ক্যাভেনজিং প্রক্রিয়া আছে, তাকেও সাহায্য করে ভিটামিন সি। ফলে সম্ভাব্য জারণ প্রক্রিয়ার চাপ থেকে কোষ কিংবা টিস্যু রক্ষা পায়।

ভিটামিন সি ফাগোসাইটিক কোষগুলিতে জমে থাকা নিউট্রোফিলস এবং কেমোট্যাক্সিস, ফাগোসাইটোসিস, প্রতিক্রিয়াশীল অক্সিজেন প্রজাতির উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করে। এমনকি অণুজীবের ধ্বংস হারও বাড়িয়ে দেয়। ম্যাক্রোফেজ দ্বারা সংক্রমণের স্থান থেকে অ্যাপোপটোসিস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মৃত কোষ এবং ব্যবহৃত নিউট্রোফিলগুলিকে সরিয়ে ফেলে। ফলে নেক্রোসিস এবং সম্ভাব্য ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যুর পরিমাণ কমে যায়।

সম্প্রতি আমেরিকান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন জার্নাল -এ একটি প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। এআরডিএস-এ আক্রান্ত ১৬৭ জন রোগীর ওপর করা এক গবেষণার বিশ্লেষণ করা হয়েছে সেই প্রবন্ধে। ওই গবেষণায় রেগীদের দিনপ্রতি ১৫ গ্রাম ইন্ট্রাভেনাস (আইভ) ভিটামিন সি দেয়া হয়েছে পর পর চারদিন। ফলে মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

করোনা আক্রান্ত চীনের ৫০ রোগীর ওপর করা আরেকটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। সেই গবেষণায় দেখা গেছে, একটি উচ্চমাত্রা (ডোজ) আইভি ভিটামিন সি সফলভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে অক্সিজেনেশনের হার। সব রোগী শেষ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছে।

কোরিয়ান আর্মি ট্রেনিং সেন্টারে ১৪৪৪ জনকে নিয়ে করা হয়েছে আরেকটি গবেষণা। তাতেও দেখা গেছে, ওরাল ভিটামিন সি (৬ গ্রাম/প্রতিদিন) ভাইরাল সংক্রমণের ঝুঁকি কমিয়ে দিতে সক্ষম। এ গবেষণার রিপোর্ট গত মার্চে বিএমজে মিলিটারি হেলথ জার্নাল-এ প্রকাশিত হয়।

ভিটামিন সি এর এসব গুণের কথা সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে। ফলে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফলের চাহিদা বেড়েছে। এর মধ্যে আমলকি উল্লেখযোগ্য। একদিকে চাহিদা বাড়া অন্যদিকে সরবরাহ কম থাকায় হুঁ হুঁ করে বেড়েছে আমলকির দাম।

রোববার (২৮ জুন) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার বাজার ও সুপারশপে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রতি কেজি আমলকি বিক্রি হচ্ছে ৮৫০-১০০০ টাকায়। খুচরায় ৫০ গ্রাম আমলকি বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা।

খিলগাঁও তালতলায় ৫০ গ্রাম আমলকি ৬০ টাকা বিক্রি করা আশরাফুল বলেন, এখন বাজারে আমলকির বেশ চাহিদা রয়েছে। কিন্তু বাজারে সেইভাবে সরবরাহ নেই। ৫০ গ্রাম ৬০ টাকা হওয়ার পরও প্রতিদিন যা নিয়ে আসি তা দেখতে দেখতে বিক্রি হয়ে যায়।

খিলগাঁওয়ে সিপাহীবাগ বাজারে ৫০ গ্রাম আমলকি ৫০ টাকা বিক্রি করা মজনু বলেন, পাইকারিতে আমলকির দাম খুব বেড়েছে। আগে আমরা একশ গ্রাম আমলকি ১০-২০ টাকা বিক্রি করেছি। কিন্তু এখন যে দামে কেনা পড়ছে তাতে ৫০ গ্রাম ৫০ টাকার নিচে বিক্রি করার সুযোগ নেই।

রামপুরার ব্যবসায়ী আমিনুর বলেন, করোনার কারণে কয়েক মাস ধরে আমলকির চাহিদা অনেক বেড়েছে। আগে বেশিরভাগ মানুষ ৫০ গ্রাম ১০০ গ্রাম করে আমলকি কিনতো। এখন অনেকে ২৫০ গ্রাম, অধাকেজি করে কিনছে। বাজারে আমলকির যে পরিমাণ চাহিদা রয়েছে সরবরাহ তার তুলনায় কম। ঈদের আগেও একশ গ্রাম আমলকি ২০-৩০ টাকায় বিক্রি করেছি। এখন বিক্রি করছি ১০০ টাকায়।

বিভিন্ন এলাকার বাজারের পাশাপাশি সুপাশপেও চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে আমলকি। স্বপ্নের বনশ্রী শাখায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিকেজি আমলকি ৮৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। একই দামে আমলকি বিক্রি হচ্ছে স্বপ্নের খিলগাঁও শাখায়।

স্বপ্নের বনশ্রী শাখার কাওছার হাসান বলেন, আমরা এখন প্রতিকেজি আমলকি ৮৫০ টাকা বিক্রি করেছি।

আগে তো আমলকির কেজি ৩০০ টাকা ছিল। এখন দাম এতো বাড়ার কারণ কী জানতে চাইলে তিনি বলেন, ৩০০ টাকা আরও দুই মাস আগে ছিল। এখন এটা অ্যাভেলেবল না। সে কারণেই হয়তো প্রাইসটা একটু বেশি।

স্বপ্নের খিলগাঁও শাখায় যোগাযোগ করা হলে ছারা বলেন, আমরা আমলকির কেজ

Facebook Comments

লাইক দিয়ে সবার আগে. সব খবর এর আপডেট

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

আমাদের ফেসবুক পেজ

© All rights reserved © 2020 JagoronBarta24.com
Theme Customized By codeforhost.Com
codeforhost-somoyerba149