1. liton@somoyerbarta24.net : জাগরন বার্তা২৪ ডটকম ডেস্কঃ : জাগরন বার্তা২৪ ডটকম ডেস্কঃ
  2. admin@codeforhost.com : News Desk :
কঠোর দন্ডই পারে দেশকে পরিবর্তন করতে | জাগরন বার্তা
বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল ২০২১, ০৯:৫৩ পূর্বাহ্ন
৯ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দৌলতপুরে লকডাউন কার্যকর করতে মাঠে নেমেছে উপজেলা প্রশাসন রমজানে দাঁত ও মুখের সুস্থতা ডাঃ তনুশ্রী তরফদারের পরামর্শ ১ বছর পুর্তিতে দৌলতপুর-১৮৬০ গ্রুপের পক্ষহতে মাস্ক বিতরণ দৌলতপুর পোল্ট্রি খামার এসোশিয়েশনের কমিটি গঠন শাহ আলম সভাপতি সিরাজুল ইসলাম সাধারণ সম্পাদক দৌলতপুরে লকডাউন কার্যকর ও দ্রব‍্যমূল‍্যর দাম সহনীয় রাখতে মাঠে নেমেছে প্রশাসন ফোক সম্রাজ্ঞী মমতাজ বেগমকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রী কৃষকের মাঝে কৃষি যন্ত্র বিতরণ দৌলতপুরে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দৌলতপুর উপজলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে সাংবাদিকদর সৌজন্য সাক্ষাৎ দ্বিতীয় দফায় লকডাউন সচেতন করতে দৌলতপুর  উপজেলা প্রশাসন,পুলিশ প্রসাশন,স্বাস্থ‍্য বিভাগ জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিক

কঠোর দন্ডই পারে দেশকে পরিবর্তন করতে

রিপোর্টার: জাগরন বার্তা২৪ ডটকম ডেস্কঃ
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২০
  • ২১২ বার পাঠিত
20200609 121323

দেশে করোনাভাইরাসের ভয়ঙ্কর আঘাতের মাঝেও কিছু লোভী মানুষের অপকর্ম থেমে নেই। সমাজ ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন স্তরে থাকা বিভিন্ন পেশার এই মানুষেরা করোনাকালেও অতি মুনাফা বা লুটপাটকে সঙ্গী করে নিয়েছে। তারা মানুষের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে নিজেদের আখের গোছাচ্ছে। এদের মধ্যে ব্যবসায়ী নামধারী কিছু অপরাধী যেমন রয়েছেন, তেমনি জনপ্রতিনিধি নামধারী পাপীর সংখ্যাও কম নয়। ব্যবসায়ী নামধারী মুনাফাখোররা করোনাভাইরাস সুরক্ষাসামগ্রী ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে মানুষকে লুট করছে। আর জনপ্রতিনিধিরা জনগণের ত্রাণ চুরি বা আত্মসাৎ করে মহাঅপকর্ম করছে।

করোনা মহামারির এ ভয়াবহতম দুঃসময়ে মানুষ মানুষকে সহযোগিতা ও পরস্পরের পাশে সাধ্যমতো দাঁড়িয়ে জীবনকে এগিয়ে নেয়ার কথা। কিন্তু কিছু মুনাফাখোর ও লোভী ব্যক্তি দ্রব্যমূল্য এবং সুরক্ষাসামগ্রীর অযৌক্তিক দাম বাড়িয়ে লুটপাট করে চলেছে। সরকারের সতর্কবাণী বা মানবিক আহ্বানেও এদের অপকর্ম বন্ধ হচ্ছে না। ব্যবসায়ী নামধারী মুনাফাখোরদের কাছে জিম্মি জনগণ তাদের লোভের আগুনে সবসময় দগ্ধ হচ্ছে। জনপ্রতিনিধিদের একাংশের প্রতিও জনগণের কমবেশি অভিযোগ লক্ষ করা যায়। করোনাকালে ত্রাণ আত্মসাতের সূত্র ধরে বেশ কিছু জনপ্রতিনিধিকে বহিষ্কার করায় জনগণের সে অভিযোগ কিছুটা হলেও সত্যতা পেয়েছে। বলা যায় যখন মানুষ জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে তখন এ মনোভাব কখনোই সভ্যতার পর্যায়ে পড়ে না।

সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ত্রাণচোর জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য, জেলা পরিষদ সদস্য, পৌর কাউন্সিলর ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রয়েছেন। এদের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণকালে সাধারণ মানুষের জন্য দেশব্যাপী ত্রাণ বিতরণ কর্মকাণ্ড বা কম মূল্যে ওএমএসের চাল বিতরণ অব্যাহত রেখেছে সরকার। সে ত্রাণ বা চাল বিতরণের বদলে এসব জনপ্রতিনিধিরা তা আত্মসাৎ করেছেন অথবা পাওয়ার উপযুক্ত নয় এমন আপনজনদের মাঝে বিতরণ করেছেন।

এ ধরনের ঘটনা অতীতেও অনেক ঘটেছে। কিন্তু যথাযথ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়ার কারণে পরিস্থিতি পাল্টায়নি। দেশে বিভিন্ন সময়ে দুর্যোগকালে দেখা গেছে একশ্রেণির ব্যক্তি ফায়দা লুটতে সক্রিয় থাকে। সরকারের নির্দেশ বা আহ্বানকে তারা উপেক্ষা করে নিজেদের আখের গোছায়। এবারও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। মাস্ক, গ্লাভস, হ্যান্ড স্যানিটাইজারের দাম বাড়িয়ে একশ্রেণির ব্যবসায়ী কোটি কোটি টাকা মুনাফা করেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি করে একশ্রেণির ব্যবসায়ী আখের গুছিয়েছে। আর ত্রাণ বা সরকারি সহযোগিতা লুটপাট করে একশ্রেণির জনপ্রতিনিধি নিজেদের অর্থ-সম্পদ বা প্রভাব বৃদ্ধি করছেন।

এদের জন্য মহাশাস্তির ব্যবস্থা করা উচিত। জনপ্রতিনিধিদের শুধু পদ থেকে বহিষ্কার নয়, এরা যাতে ভবিষ্যতে আর কখনও জনপ্রতিনিধি হবার সুযোগ না পায় সেটা নিশ্চিত করতে হবে। সরকারি সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে এদের অপকর্মের বিস্তারিত নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করা দরকার। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্র ও এলাকাবাসীকে এ ধরনের ব্যবসায়ী ও জনপ্রতিনিধিদের সম্পর্কে অবহিত করা যেতে পারে। সে জন্য এদের ছবি দিয়ে পোস্টার বা ব্যানার করে যার যার এলাকায় প্রচার করা যেতে পারে।

জনপ্রতিনিধিদের বহিষ্কারের পাশাপাশি কারাদণ্ড নিশ্চিত করা দরকার। ব্যবসায়ী নামধারী মুনাফাখোরদের অপকর্মের জন্য দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির পাশাপাশি ব্যবসার অনুমোদন বাতিল করা যেতে পারে। এরা যাতে অপকর্মের খতিয়ান গোপন করে অন্য কোনোভাবে নিজেদের কর্মকাণ্ড বা ব্যবসা চালাতে না পারে সে বিষয়টিও নিশ্চিত করতে হবে।

বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ বরাবরই শান্তিপ্রিয় এবং সহনশীল। এ সুবিধা নিয়ে দেশে একশ্রেণির শোষকচক্র মানুষকে অব্যাহতভাবে শোষণ করে আসছে। জনগণের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে। আইনের যথাযথ প্রয়োগ এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়ার কারণে এ চক্র দিনে দিনে অনেক শক্তিশালী হয়েছে। আইনের ফাঁকফোকর ও রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় এ ধরনের অপকর্মের হোতারা প্রশ্রয় পেয়ে আসছে সবসময়।

এখন সময় এ ধরনের সমাজবিরোধী-মানবতাবিরোধী পাপীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিদানের মাধ্যমে প্রথমে রাষ্ট্রকেই রুখে দাঁড়াতে হবে। রাষ্ট্রের মাধ্যমে শুরু করতে হবে সামাজিক প্রচারণা। বাড়াতে হবে সামাজিক সচেতনতাও। এই সমাজবিরোধী অপরাধীদের সামাজিকভাবে বয়কটের পথে যেতে হবে। তাতে কিছুটা হলেও পরিবর্তনের সম্ভাবনা দেখা দেবে। নতুবা এ অপকর্ম কখনও বন্ধ হবে না। অব্যাহতভাবে চলবে অসহায় সাধারণ মানুষের চাপাকান্না।

লেখক : সাংবাদিক। সুত্র জাগো নিউজ

Facebook Comments

লাইক দিয়ে সবার আগে. সব খবর এর আপডেট

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

আমাদের ফেসবুক পেজ

© All rights reserved © 2020 JagoronBarta24.com
Theme Customized By codeforhost.Com
codeforhost-somoyerba149