1. liton@somoyerbarta24.net : জাগরন বার্তা২৪ ডটকম ডেস্কঃ : জাগরন বার্তা২৪ ডটকম ডেস্কঃ
  2. admin@codeforhost.com : News Desk :
" শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া এখন সময়ের দাবী " | জাগরন বার্তা
বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল ২০২১, ০৪:০৩ অপরাহ্ন
৯ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দৌলতপুরে লকডাউন কার্যকর করতে মাঠে নেমেছে উপজেলা প্রশাসন রমজানে দাঁত ও মুখের সুস্থতা ডাঃ তনুশ্রী তরফদারের পরামর্শ ১ বছর পুর্তিতে দৌলতপুর-১৮৬০ গ্রুপের পক্ষহতে মাস্ক বিতরণ দৌলতপুর পোল্ট্রি খামার এসোশিয়েশনের কমিটি গঠন শাহ আলম সভাপতি সিরাজুল ইসলাম সাধারণ সম্পাদক দৌলতপুরে লকডাউন কার্যকর ও দ্রব‍্যমূল‍্যর দাম সহনীয় রাখতে মাঠে নেমেছে প্রশাসন ফোক সম্রাজ্ঞী মমতাজ বেগমকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রী কৃষকের মাঝে কৃষি যন্ত্র বিতরণ দৌলতপুরে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দৌলতপুর উপজলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে সাংবাদিকদর সৌজন্য সাক্ষাৎ দ্বিতীয় দফায় লকডাউন সচেতন করতে দৌলতপুর  উপজেলা প্রশাসন,পুলিশ প্রসাশন,স্বাস্থ‍্য বিভাগ জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিক

” শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া এখন সময়ের দাবী “

রিপোর্টার: মোঃ আরাফাত রহমান
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২০
  • ৭১৮ বার পাঠিত
received 641784813354901

আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের অশেষ মেহেরবাণী এই যে, বিশ্বজুড়ে করোনা মহামারীর এই সময়ে বাংলাদেশ এখনো ভাল অবস্থানে আছে । ধীরে ধীরে লকডাউন কাটিয়ে এখন সচল হয়েছে অর্থনীতির চাকা । বিশ্বের অন্যান্য দেশের চেয়ে বাংলাদেশে মৃত্যুর হার অনেক কম । যদিও মৃত্যুর মিছিল এখনো চলমান আছে । তা সত্ত্বেও মানুষ চালিয়ে যাচ্ছে তার জীবন যুদ্ধ । একে একে চালু হয়েছে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান , অফিস , গার্মেন্টস ও বৈদেশিক যোগাযোগ । কিন্তু এখনো খুলে দেয়া হয়নি বাংলাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো । দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকায় বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় নেমে এসেছে ভয়াবহ এক স্থবিরতা ।

গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের ওহান শহরে শুরু হয় করোনা মহামারী । তারপর থেকেই থমথমে গোটা বিশ্ব । দেশে দেশে লকডাউন কাটিয়ে সবাই ফিরে যেতে শুরু করেছে এখন স্বাভাবিক জীবনে । ভ্যাকসিনের জন্য মানুষ এখন আর বসে নেই । কবে ভ্যাকসিন আসবে আর কবে মানুষ ফিরে যাবে আবার স্বাভাবিক জীবন ?এটি অবশ্যই ভাবার বিষয় । মহামারির একমাত্র সমাধান কি ভ্যাকসিন ? অবশ্যই নয় । এমনটা ভাবলে তা অবশ্যই ভূল হবে । এখন পর্যন্ত করোনা ভাইরাস যতবার জেনম বৈশিষ্টের পরিবর্তন ঘটিয়েছে । তাতে এটাই প্রমানিত হয় যে, শুধুমাত্র একটি অথবা কয়েকটি ভ্যাকসিন যথেষ্ঠ নয় । প্রতিটি জেনম সিক্যুয়েন্সের জন্য প্রয়োজন আলাদা আলাদা ভ্যাকসিন । আচ্ছা, একবার ভাবুন তো, যেখানে একটি ভ্যাকসিনই এখন পর্যন্ত চুড়ান্তভাবে প্রস্তুত হয়নি , সেখানে এতগুলো ভ্যাকসিন কতটুকু সময় সাপেক্ষ ? তাই ভ্যাকসিনের জন্য বসে না থেকে , আমাদের হাতে এই পর্যন্ত যতটুকু মেডিকেল প্রযুক্তি আছে চালিয়েই যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হবে । তাছাড়া আমার ব্যক্তিগত দৃষ্টিতে করোনা কোন শক্তিশালী অথবা ভয়াবহ মহামারী নয় । প্রতিদিন বাংলাদেশে কতজন মারা যায় আর কতজন আরোগ্য লাভ করে তার একটা হিসেব কষে নিলেই বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে ।
এবার আসি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কথায় । খুলে দেয়া হলো হাঁট বাজার, বন্দর , গার্মেন্টস ও গণপরিবহন । তবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলতে সমস্যা আসলে কোথায় । নাকি জনসমাগম শুধু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই হয় , তাছাড়া অন্য কোথাও হয় না ।? ঠুনকো অজুহাতে দিনের পর দিন বন্ধ করে রাখা হয়েছে শিক্ষা গুলো । এমন কর্মকান্ড শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতি আমাদের ব্যাপক অবহেলার বহি: প্রকাশ ঘটাচ্ছে ।
আমাদের দেশের নেতা নেত্রী থেকে শুরু করে বিশিষ্ট শিক্ষিত ব্যক্তিদের মুখেও অনলাইন ক্লাসের ব্যপক গুণগান শোনা যায় । বলি , অনলাইন ক্লাস কি আপনাদের হাতে মুয়া ? যে দেশে অনলাইন ক্লাস ইতিপূর্বে কোনদিন ভূলেও হয়নি , সে দেশে রাতারাতি এটা কি করে সম্ভব ? বাংলাদেশের বড় ও পুরানো বিশ্ববিদ্যালয় গুতোও তো ইতিপূর্বে অনলাইন ক্লাস চালু হয়নি । তাছাড়া এ জন্য প্রয়োজন পূর্ব অভিজ্ঞতা ও সুষ্ঠু নীতিমালা । এসব কিছু ছাড়াই হঠাৎ করে বাধ্যতামূলক ভাবে অনলাইন ক্লাস চাপিয়ে দেয়া সত্যিই অবিবেচনা প্রসূত । এ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সুবিধা
-অসুবিধার বিষয়টি প্রাধান্য দেয়া উচিত ছিল । সাম্যভিত্তিক একটি সমাজ চিন্তার অংশ হিসেবে এটি অত্যন্ত গুরুত্তপূর্ণ ।

এখন পর্যন্ত এ বৎসরের এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি । এটি নিয়ে বিশেষজ্ঞ মডহলে তেমন কোন আলোচনা হচ্ছে না । মিডিয়াও এই বিষয়ে কোন সংবাদ অথবা টকশো প্রচার করে না । বিষয়টা এমন হয়ে দাঁড়িয়েছে যযে , এতগুলো এইচএসসি পরীক্ষার্থীর জীবনের কোন মূল্যই নেই সরকারের কাছে ।

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে বাড়ছে সেশনজট । শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাড়ছে হতাশা ও উৎকন্ঠা । সরকার কেবল অনলাইন ক্লাস বাধ্যতামূলক করেই ক্ষান্ত । কতোটা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইন ক্লাস শুরু হয়েছে আর কোথায় শুরুই হয়নি তার কোন খবর শিক্ষা মন্ত্রনালয় রাখে না । অথচ জাতির এ মহা দুর্যোগে একটি বাস্তব ভিত্তিক ও সুষ্ঠু পরিকল্পনা একান্তভাবেই কাম্য ছিল । কেবল সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতের ঠুনকো অযুহাতেই বন্ধ করে রাখা হয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো । সামাজিক দূরত্ব মেনে যদি গণপরিবহন ও গার্মেন্টস চালু হতে পারে , তবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কেন খুলে দেয়া যাবে না ?
সবচাইতে বড় আশ্চর্য লাগে এই বিষয়টি যে , এখন পর্যন্ত কোন শিক্ষার্থীর মুখেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার দাবী উঠেনি ! মিডিয়া ও বিশিষ্টজনদেরও এ বিষয় নিয়ে তেমন কোন গুরুতর পরিলক্ষিত হয় না । প্রশ্ন হচ্ছে, অনির্দিষ্ট কালের জন্য এভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে রাখার যৌক্তিকতা কোথায় ? একজন শিক্ষার্থী হিসেবে এই বিষয়ে আমি হতাশ এবং আমার হতাশা সমাজের আরো হাজারো শিক্ষার্থীর হতাশার প্রতিচ্ছবি ।

লেখকঃ মোঃ আরাফাত রহমান ।
মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগ
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ।

Facebook Comments

লাইক দিয়ে সবার আগে. সব খবর এর আপডেট

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

আমাদের ফেসবুক পেজ

© All rights reserved © 2020 JagoronBarta24.com
Theme Customized By codeforhost.Com
codeforhost-somoyerba149