(৩০ আগষ্ট) রবিবার সকাল প্রায় ১০ টার সময় জহির রায়হান ও তার বন্ধু সফিন আহমেদ রায়পুর ১ নং মিলগেটে যায় পৌরসভা কর্তৃক একটি রাস্তা প্রশস্ত করনের কাজ দেখতে। সেখান থেকে মটর বাইকযোগে ফেরার পথে তারা দেখতে পায় সরকারী শিশু পরিবারের গেটের সামনে একটি লোক লুংগি ও গেঞ্জি পরিহিত অবস্থা সিগারেট হাতে নিয়ে দুটি শিশুকে ভয় ভীতি দেখাচ্ছে এবং হাতের সিগারেট নিয়ে শিশু দুটিকে ছ্যাকা দেয়া চেষ্টা করছে।
দৃশ্যটি দেখে জহির রায়হান ও শফিন আহমেদ মটর বাইকে থেকে নেমে লোকটি জিজ্ঞেস করে শিশু দুটি কে? উত্তরে লোকটি জানায় তারা শিশু পরিবারের সদস্য। জহির রায়হান পুনরায় লোকটিকে জিজ্ঞেস করে আপনি কে? উত্তরে লোকটি জানায় যে, সে শিশু পরিবারের বড় ভাই। তখন জহির রায়হান ও শফিন আহমেদ জানতো না বড় ভাই নামে শিশু পরিবারে কোন পদ আছে।
জহির রায়হান ও শফিন আহমেদ লোকটিকে শিশুদের সাথে এমন আচরনের কারন জিজ্ঞেস করলে লোকটি চরম অশ্লীল ভাষায় কথা বলে। পরে জহির রায়হান ও শফিন লোকটিকে সিগারেট ফেলে দিতে বলে ও ধাক্কা দিয়ে শিশু সদনের ভিতরে ঢুকিয়ে দেয়।
জহির রায়হান এর নিকট শিশু পরিবারের তত্তাবধয়ায়কের মোবাইল নম্বর না থাকায় সে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আলাউদ্দিনকে অবগত করেন।
এলাকার মুরুব্বি গন ঘটনা সম্পর্কে অবহিত হওয়ার পরে জেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা ও সুপার মহোদয়কে বিষয়টি নিয়ে একটি আলোচনার প্রস্তাব দেয়।
কিন্তু কোন এক অজানা কারনে সুপার বলেন, তারা মাদক সেবনের জন্য সেখানে গিয়েছিলো এবং বাধা দেয়ায় এমন অবস্থা তৈরী হয়।
প্রশ্ন রয়ে যায়, রাস্তায় মটর বাইকের উপর কিভাবে মাদক সেবন করবে যেখানে তারা দুই জন শিশু পরিবার বা শিশু সদনের আঙ্গীনাতেই প্রবেশ করে নাই।
Facebook Comments